ইউ.এস.এইড
এর সহায়তায় ওয়ার্ল্ড ফিস কর্তৃক পরিচালিত এ.আই.এন প্রকল্পের সাতক্ষীরা
জেলার দক্ষিনাঞ্চলের ৫ টি উপজেলার ৫১০০ জন চাষীদের মাঝে ৩৮ জন সম্প্রসারন
কর্মী চিংড়ি চাষের পাক্ষিক ৮টি তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণ পাশাপাশি ব্যবহারিক
প্রশিক্ষণ
পরিচালনা করে আসছে। এসব প্রশিক্ষনের আলোচনায় যেমন আছে ঘের প্রস্তুতি,
পোনার নার্সারী ব্যবস্থাপনা, রোগ প্রতিরোধে করনীয়, দূর্যোগ মোকাবেলা,
জেন্ডার সচেতনতা, তেমনি আছে ঘের পাড়ের সংলগ্ন বসত বাড়ীতে গ্রীষ্ম ও
শীতকালীন বিভিন্ন সব্জি চা কৌশল। প্রকল্পের সম্প্রসারণ সহায়করা বিগত ২০১২
সাল থেকে এ সমস্ত প্রশিক্ষণ পরিচালনা করে আসছে। ফলে এর দ্বিমুখি লাভ অনেক
চাষী ইতোমধ্যে পেতে শুরু করেছে।
শনিবার
প্রকল্পের টি.এস আজহারুল হক দেবহটার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের আটশত বিঘার মন্দির
প্রাঙ্গনে মহিলা চাষীদের সাথে মত বিনিময় করেন। এসময় তারা এ বীজের যথাযথ
ব্যবহার করবে বলে আশ্বাস দেন এবং এর পাশাপাশি তাদের উৎপাদিত সব্জি ক্ষেত
পরিদর্শন করান।
সম্প্রসারণ
সহায়ক মিজানুর রহমান জানান, এ অঞ্চলের ঘের পাড়ে উৎপাদিত সব্জি অজৈব সার
বিহীন ও অত্যন্ত সুস্বাদু। জলে যেমন হচ্ছে সাদা মাছ ও বাগদা চিংড়ি, তেমনি
ঘের সংলগ্ন বসত ভিটা এর ছোট্ট ২-৪ শতকের আংগিনায় ফলছে পুইশাক,
ঝিঙে,ঢেড়স,শিম, কুমড়োসহ অসংখ্য সব্জি। পারিবারিক ভিটার পাশেই যদি ঘেরটি
থাকে তাহলে তো আর কথাই নেই।
বাড়ীর
মহিলারাই এ সব্জির ক্ষেত দেখাশুনা করেন। মার্তৃস্নেহ পেয়ে এসব সব্জিও যেন
কলকলিয়ে বেড়ে ওঠে। প্রশিক্ষনের এ জাতীয় শিক্ষন ও চাষীদের আগ্রহ এ দুই এর
মিল দেখে ওয়ার্ল্ডফিস এ মৌসুমে ঘের পাড়ে ও বসত বাড়ীতে লাগানোর উপযোগী সব্জি
বীজ বিতরন শুরু করেছে।
এ
সমস্ত বীজের মধ্যে রয়েছে লাউ, টমেটো, শসা, মিস্টি কুমড়া ও করলা। সুফলভোগী
মিনতি রাণী, কমলা রাণী, মনজুরিরা বেগম জানান, ওয়ার্ল্ড ফিস কর্মকর্তা ও
তাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তাদের মত ভূমিহীনরা আজ স্বাবলম্বি।
আর.কে.বাপ্পা
আরো সংবাদ পড়ুন
0 মন্তব্যসমূহ