যশোরেরর শার্শা উপজেলার নাভারনে ছাত্রশীবির ও ছাত্রলীগের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৯ জন গুরুতর আহত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯ টার দিকে এ সংঘর্ষে ঘটে। আহতরা হলেন ছাত্রশীবিরের আমতলা গাতিপাড়া গ্রামের শামি(২০) কাজির বেড় গ্রামের আবু সুফিয়ান (৩২)
খামারপাড়া গ্রামের রিয়াসাদ (২৮) বৃত্তি বারিপোতা গ্রমের সোলাইমান (৩০) কাজিরবেড় গ্রামের তাসলিমা (৫০) বেনাপোলের কাগমারি গ্রামের আমিনুল (৩০) ঝিকরগাছা গ্রামের নয়ন আহত হন(২৫) এ ছাড়া ছাত্রশীবিরের হমলার আওয়ামীলিগের সমর্থক ব্যাবসায়ি জাভের রেজওয়ান ও জাকির হোসন আহত হন।
পুলিশ সুত্রে জানা যায় সকাল ৯ টার দিকে এলাকা থেকে কয়েকশ ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী নাভারন কাজিরবেড় সড়কে জামায়াতের কার্যালয়ে জড়ো হয়। সেখান থেকে একটি মিছিল বের করার কথা ছিল। ছাত্রলীগ ও নাভারন বাজারে মিছিল বের করে। ছাত্রশীবিরের মিছিল প্রধন সড়কে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রলীগের মিছিলে কয়েকটি বোমা নিক্ষেপ করে। এরপরই ছাত্রলীগ ও ছাত্রশীবিরের মধ্যে সংঘষর্ বেধে যায়।
এসময়  রামদা হকিষ্টিক লোহার রড নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় চলতে থাকে সংঘর্ষ। বিকট বোমা বিস্ফোরনের শব্দে এ সময় বাজারের সকল দোকানপাট ব্ন্ধ হয়ে যায়। নিরাপদ আশ্রয় ছোটাছুটি করতে থাকে পথচারিরা। বোনপোল –যশোর সড়কে যন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে শার্শা পুলিশ ঘটনা সাথলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
 এ সংঘর্ষ চলাকালে জামায়াতের অফিস থেকে ২ টি হাতবোমা ও ৪ টি রামদা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এসময় ১০/১২ টি মোটরসাইকেল লুট জাামায়াত নেতা আব্দুল হাইয়ের  বাড়ি ও জামায়াত অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে বলে জামায়াত দাবি করেছে। ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় আহত শামিম ও আবু সুফিয়ানকে আটক করেছে পুলিশ।

সংঘর্ষের কিছু পর ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলিগ নেতাকর্মীরা বাজারে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিল থেকে ওসির অপসারনেরর দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন তারা। বাজার এখন ক্ষমতাসীন দলের দখলে রয়েছে।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল জলিল জানান, পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রনে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। সংঘর্ষে ৯ জন আহত হয়েছেন ২জন ছাত্রশীবির কর্মীকে আটক করা হয়েছে।
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
আরো সংবাদ পড়ুন