ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ৬৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম হত্যা মামলায় তার ২য় স্ত্রী আয়েশ সিদ্দিকা ঝরার ২ দিন রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার ঝিনাইদহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে সোপর্দ করেছে র‌্যাব।
ঝিনাইদহ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক তসরুর জামান তার ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহন করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
র‌্যাব-৬ ঝিনাইদহ ক্যাম্প এর কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার ফয়সাল আহমেদ জানান, রফিকুল হত্যা মামলায় তার ২য় স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা ঝরাকে গত ১৬ সেপ্টেম্বর শৈলকুপা উপজেলার আনন্দনগর গ্রামের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাকে ঝিনাইদহ আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়। আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর তাকে রিমান্ডে আনা হয়। দুই দিন রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী গ্রহন শেষে সিনিয়র জুডিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক ঝরাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ঝরার স্বজনরা অভিযোগ করেন র‌্যাব তাকে খবর দিলে তিনি ঢাকা থেকে এসে ঝিনাইদহের র‌্যাব ক্যাম্পে দেখা করেন। এ ভাবে দুই দিন দেখা করার পর ৩ দিনের মাথায় র‌্যাব তাকে খবর দিয়ে ডেকে এনে আটক করে।
উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারী ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ৬৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামকে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার আনন্দনগর গ্রামের শশুরবাড়ি থেকে র‌্যাব পরিচয়ে অপহরণ করা হয়। ওই দিন রাতেই পাশ্ববর্তি কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার আদাবাড়িয়া গ্রামের মাঠে পেয়াজ ক্ষেত থেকে হ্যান্ডকাপ পরিহিত লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার ২য় স্ত্রী বাদি হয়ে শৈকুপা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর আগে র‌্যাব নিহতের শ্বাশুড়ী লিপি খাতুন, মহব্বত আলী, সোহেল রানা ও ফজলুর রহমান নামে ৪ জনকে আটক করে।
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
আরো সংবাদ পড়ুন