সাতক্ষীরার
শ্যামনগর উপজেলার কাশিমারীতে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষে উপজেলা
মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও ডেপুটি কমান্ডারসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার শ্যামনগর-কাশিমাড়ি
সড়কের
জয়নগর তিন রাস্তার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের শ্যামনগর হাসপাতালে ভর্তি করা
হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ওই এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও বিজিবি
মোতায়ন করা হয়েছে।
স্থানীয়
সুত্র জানায়, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কাদের
মোল্যাসহ আটক শীর্ষ নেতাদের মুক্তি ও সরকারের নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার বিকেলে জামায়াত-শিবির এলাকায় অবরোধ
করে বিক্ষোভ করে। এ সময় কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা
স্থানীয় গোবিন্দপুর কলেজিয়েট স্কুলের অধ্যক্ষ আওয়ামী লীগ সমর্থক শফিকুল
ইসলামসহ কয়েকজনের ওপর হামলা করে।
এ ঘটনার
জের ধরে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে গোবিন্দপুর কলেজিয়েট স্কুল থেকে আওয়ামী
লীগসহ স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি
কাশিমাড়ি অভিমুখে যাওয়ার সময় জামায়াত-শিবির সমর্থকদের একটি দোকান ও একটি
বাড়ি ভাঙচুর করে। দোকান ও বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে
পড়ে।
পরে
আওয়ামী লীগের মিছিলটি স্থানীয় শ্যামনগর-কাশিমাড়ি সড়কের জয়নগর তিন রাস্তার
মোড়ে পৌঁছালে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা তাদের ওপর বাড়ি ও দোকান ভাঙচুরের
রোষের কারণে হামলা চালায়। এ সময় উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষে উভয়
পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।
সাতক্ষীরার
পুলিশ সুপার মোল্লা জাহাঙ্গির হোসেন জানান, এ ঘটনার পর সেখানে পুলিশ ও
বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
আরো সংবাদ পড়ুন
0 মন্তব্যসমূহ