কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি ॥
কেশবপুরের পাঁজিয়া রূপালি ব্যাংকের ম্যানেজার ইমদাদুল ইসলাম রুমাণীর বিরুদ্ধে অনিয়ম, শিক্ষকদের সঙ্গে অশুভ আচারণ ও দূনীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার পাঁজিয়া রূপালি ব্যাংকের ম্যানেজার হিসেবে ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারী ইমদাদুল ইসলাম রুমাণী যোগদান করার পর ব্যাপক অনিয়ম ও দূনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। সময় ব্যাংকে না আসা এবং আগেভাগে চলে যাওয়া তার নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়ে পড়েছে। যার কারণে গ্রাহক সাধারণের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। কোন গ্রাহক ঋণ গ্রহণ করতে চাইলে তাকে মোটা অংকের উৎকোচ প্রদান না করলে বিড়াম্বনায় পড়তে হয়। ঐব্যাংক শাখা হতে উপজেলার প্রায় ১৭৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা উত্তোলন করে থাকে। তার অনিয়মের কারণে ঈদুল ফিতরের আগে গত ০৫-০৮-১৩ তারিখে দুপুর ১২ টায় ম্যানেজার ব্যাংক থেকে চলে যাওয়ার কারণে শত শত শিক্ষক-কর্মচারী বেতন-ভাতা ও উৎসব বোনাস উত্তোলন করতে পারেনি। তার ব্যাংকে শিক্ষকরা গেলে তাদের সাথে খুব অসাদআচরণ করেন। কেননা তিনি সব সময় মৎস্য ঘের মালিকদের সাথে সময় কাটান এবং তাদের সথে অবৈধ লেনদেন করেন বলে অনেক প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ জানান। যার কারণে গত ১১ আগস্ট বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের প্রধান গণ উপজেলা চেয়ারম্যানের নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন। এব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান এইচ এম আমির হোসেন জানান, শিক্ষকদের নিকট থেকে আবেদন পাওয়ার পর জেলা প্রশাসকসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানিয়েছি। তাদের পক্ষ থেকে ম্যানেজারকে জানানোর পরেও তার আচারণের পরিবর্তন হয়নি। যার কারণে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থ গ্রহণের জন্য এমডি বরাবর পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। এব্যাপারে ম্যানেজার ইমদাদুল ইসলাম রুমাণী জানান, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। প্রায় ১৭৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা প্রদান করতে হয়। তাদের বিলের কাগজে ক্রুটির কথা বললে তারা অস্বাদাচরণের অভিযোগ তোলেন । ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে কোন উৎকোচ নেয়া হয় না। শুধুমাত্র সরকারী ফি, সাভিস চার্জ ও ভ্যাটের টাকা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।
এস আর সাঈদ  



Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...