বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর ঘিরে তৈরি হয়েছে ঘোর
অনিশ্চয়তা। তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি থেকে ছিটমহল হস্তান্তর-সবকিছুই আটকে।
তার জেরেই এই অনিশ্চয়তা বলে কূটনৈতিক জল্পনা। আজ কলকাতার আনন্দবাজার
পত্রিকা অনলাইন সংস্করণে এই খবর দিয়েছে।আনন্দবাজার লিখেছে, “বছর দেড়েক আগে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের বাংলাদেশ সফরেই তিস্তা চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু,পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শেষ মুহূর্তে বেঁকে বসায় তা ভেস্তে যায়। তারপর কেন্দ্র চেষ্টা করলেও তা আর সম্ভব হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতে সম্প্রতি ছিটমহল হস্তান্তরও আটকে গিয়েছে।”
আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, “এই দু’টি চুক্তির জন্য ভারতের দিকে তাকিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। কারণ, বাংলাদেশে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে সেটাই হত তাঁর তুরুপের তাস। কিন্তু, বর্তমানে যা পরিস্থিতি তাতে তিস্তা চুক্তি কিংবা ছিটমহল হস্তান্তর দু’টির ভবিষ্যতই অন্ধকার বলে মনে করছে বাংলাদেশ। তাই এই পরিস্থিতিতে ভারত সফরে এসে কোনও লাভ হবে না বলেই মনে করছেন হাসিনা। আর তাই শূন্য হাতে ঘরে ফেরার চেয়ে দিল্লি সফর আপাতত বাতিল করাটাই মন্দের ভাল বলে মনে করছেন মুজিব-কন্যা। তাই চলতি মাসের শেষে তিনি ভারত সফরে নাও আসতে পারেন বলে একটি সূত্রকে করে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা।যদিও, যে দৈনিক সংবাদসংস্থাকে সংবাদসংস্থা পিটিআই উদ্ধৃত করেছে, তাদের প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, এখনও দু’দেশের প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে বৈঠক সম্ভব কি না, তা নিয়ে দিল্লি-ঢাকার মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা চলছে।”
'রুষ্ট' হয়েছেন হাসিনা
ভারতের সংবাদ সংস্থা পিটিআই মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার আসন্ন বৈঠক নিয়ে তৈরি হলো অনিশ্চয়তা৷ ভারত সরকার তিস্তা
পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে কোনও নিশ্চয়তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এবং সংসদে
স্থল-সীমান্ত (ছিটমহল হস্তান্তর) চুক্তি পাশ না-করতে পারায় যারপরনাই
'রুষ্ট' হয়েছেন হাসিনা৷ বাংলাদেশের সংবাদপত্র 'ডেইলি স্টার' সূত্রে রবিবার
জানা গিয়েছে এমনটাই৷
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের আমন্ত্রণে সেপ্টেম্বর মাসেই নয়াদিল্লিতে আসার কথা ছিল তার৷ বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে খবর, হাসিনা আশা করেছিলেন সেপ্টেম্বরের মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিদুটি সম্বন্ধে ভারত সরকার নির্দিষ্ট দিশা দেখাতে পারবে৷ কিন্ত্ত বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সম্ভাবনা প্রায় নেই৷ ফলে মনমোহনের সঙ্গে বৈঠকের পর বাংলাদেশের জন্য কোনো 'উপহার' নিয়ে ফিরতে পারবেন না হাসিনা৷ তাই তিনি আপাতত বৈঠক বাতিল করতে চাইছেন৷ আগামী অক্টোবরেই বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন হবে৷ বিরোধী বিএনপির মোকাবিলায় স্থলসীমান্ত এবং তিস্তা চুক্তি হাসিনার দল আওয়ামি লীগ-এর হাতে বড়সড় তুরুপের তাস হতে পারত৷
সূত্রের খবর, বর্তমান পরিস্থিতে সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে জাতিসংঘের জেনারেল অ্যাসেমব্লির বৈঠক চলাকালীন হাসিনা এবং মনমোহনের একটি পৃথক আলোচনার ব্যবস্থা করার তোড়জোড় শুরু করেছে ঢাকা ও নয়া দিল্লি৷
প্রসঙ্গত, মূলত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতার ফলেই ২০১১ সালে বাংলাদেশ সফরে গিয়েও মনমোহন সিং তিস্তা জলবন্টন চুক্তিতে সই করতে পারেননি৷ মমতার দাবি ছিল, বাংলাদেশ তিস্তার যে পরিমাণ পানি চাইছে তাতে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষতি হবে৷ সেবার মনমোহন অবশ্য দু'দেশের মধ্যে ছিটমহল হস্তান্তর চুক্তিতে সই করে আসেন৷ কিন্ত্ত এখনো পর্যন্ত ভারত সরকার তাদের ছিটমহলগুলিকে চিহ্নিত করার কাজ ফেলে রেখেছে৷
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের আমন্ত্রণে সেপ্টেম্বর মাসেই নয়াদিল্লিতে আসার কথা ছিল তার৷ বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে খবর, হাসিনা আশা করেছিলেন সেপ্টেম্বরের মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিদুটি সম্বন্ধে ভারত সরকার নির্দিষ্ট দিশা দেখাতে পারবে৷ কিন্ত্ত বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সম্ভাবনা প্রায় নেই৷ ফলে মনমোহনের সঙ্গে বৈঠকের পর বাংলাদেশের জন্য কোনো 'উপহার' নিয়ে ফিরতে পারবেন না হাসিনা৷ তাই তিনি আপাতত বৈঠক বাতিল করতে চাইছেন৷ আগামী অক্টোবরেই বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন হবে৷ বিরোধী বিএনপির মোকাবিলায় স্থলসীমান্ত এবং তিস্তা চুক্তি হাসিনার দল আওয়ামি লীগ-এর হাতে বড়সড় তুরুপের তাস হতে পারত৷
সূত্রের খবর, বর্তমান পরিস্থিতে সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে জাতিসংঘের জেনারেল অ্যাসেমব্লির বৈঠক চলাকালীন হাসিনা এবং মনমোহনের একটি পৃথক আলোচনার ব্যবস্থা করার তোড়জোড় শুরু করেছে ঢাকা ও নয়া দিল্লি৷
প্রসঙ্গত, মূলত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতার ফলেই ২০১১ সালে বাংলাদেশ সফরে গিয়েও মনমোহন সিং তিস্তা জলবন্টন চুক্তিতে সই করতে পারেননি৷ মমতার দাবি ছিল, বাংলাদেশ তিস্তার যে পরিমাণ পানি চাইছে তাতে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষতি হবে৷ সেবার মনমোহন অবশ্য দু'দেশের মধ্যে ছিটমহল হস্তান্তর চুক্তিতে সই করে আসেন৷ কিন্ত্ত এখনো পর্যন্ত ভারত সরকার তাদের ছিটমহলগুলিকে চিহ্নিত করার কাজ ফেলে রেখেছে৷
আরো সংবাদ পড়ুন
0 মন্তব্যসমূহ