চাচা মশিউর রহমান রুবেলের কাছে ছোট ভাইয়ের খোঁজ নিল ঐশী রহমান। ছোট
ভাইকে দেখার ইচ্ছার কথাও বলে ঐশী। খালুর সঙ্গে একান্তে কিছু কথা বলার
ইচ্ছাও প্রকাশ করে সে। বাবা-মাকে হত্যা এবং পরবর্তীতে থানায় আত্মসমর্পণ,
পুলিশ রিমান্ড, কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে থাকা ও সর্বশেষ কারাগারে অবস্থানের
সময় এই প্রথম পরিবার বা আত্মীয়-স্বজনের কেউ ঐশীর সঙ্গে দেখা করতে এলেন।
জানা গেছে, চাচা ঐশীকে আইনগত সহায়তার আশ্বাস দেন। গতকাল বুধবার দুপুরে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে রুবেল ঐশীর সঙ্গে দেখা করে সান্ত্বনা দিয়েছেন। ঐশীর হাত খরচের জন্য দিয়েছেন দেড় হাজার টাকা। এতে ঐশী আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। নিজের ভুলের জন্য চাচার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে ঐশী। এ সময় চাচা রুবেলও আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে ঐশীকে বলেন, তুমি কেন এমন পাপের কাজ করলে? তোমার সমস্যা আমাদের কাছে কেন প্রকাশ করনি। এসময় ঐশী অঝোরে কাঁদতে থাকলে পরক্ষণেই তিনি সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, তুমি ছোট মানুষ, ভুল করেছো। আর কোন অন্যায়ের আশ্রয় নিয়ো না। আমরা সবাই তোমার পাশে আছি। কখনও তোমাকে ছেড়ে যাব না।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের জেলার আমজাদ হোসেন ইত্তেফাককে বলেন, চাচা-ভাতিজির মধ্যে প্রায় ১০ মিনিটের কথা হয়েছে। এ সময় তারা উভয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পরে ঐশী তার খালু ও ছোট ভাইকে দেখার আগ্রহ প্রকাশ করে। তাদের সঙ্গে কথাও বলতে চেয়েছে। তার মনোবেদনা ও গোপন কথা প্রকাশ করার জন্য খালু ও ছোট ভাইকে কারাগারে যাওয়ার জন্য চাচার কাছে বার বার অনুরোধ করেছে ঐশী রহমান।
আরো সংবাদ পড়ুন
0 মন্তব্যসমূহ