যৌন নিপীড়নের শিকার বৃটিশ এশিয় তরুণীরা বৃটেনে অনেকটাই অরক্ষিত। প্রতিনিয়ত
যৌন নিপীড়নের শিকার অশ্বেতাঙ্গ এ সব তরুণীরা বিচারের নামে প্রহসনের শিকার
হচ্ছে অহরহ। পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের কারণে অনেক এশিয়ান এবং
অশ্বেতাঙ্গ তরুণীরা যেমন আইনের আশ্রয় নিতে পারছেন না, আবার যারা আইনের
আশ্রয় নিতে যাচ্ছেন তারাও শিকার হচ্ছে নানান বৈষম্যের। গত মঙ্গলবার
প্রকাশিত একটি সমীক্ষাতে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।মুসলিম উইমেন’স নেটওয়ার্ক ইউকে বলেছে, বৃটেনের অনেক আদালতে দক্ষিণ এশিয়ান বংশোদ্ভূত পুরুষদের বিরুদ্ধে শ্বেতাঙ্গ কিশোরীদের নিপীড়ন করার বেশ কিছু মামলা চলমান থাকলেও দক্ষিণ এশিয়ার তরুণীদের নিজ গোষ্ঠীর হাতে নিপীড়নের হাত থেকে কর্তৃপক্ষ রক্ষা করতে পারছে না। আর এ কারণে দক্ষিণ এশিয়ার বংশোদ্ভূত বৃটিশ তরুণীরা যৌন নিপীড়নের ক্ষেত্রে অনেকটাই অরক্ষিত হয়ে পড়ছে। অনেক ক্ষেত্রেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অশ্বেতাঙ্গ তরুণীদের চেয়ে শ্বেতাঙ্গ তরুণীদের নিরাপত্তার বিষয়টিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিপীড়নের শিকার এশিয়ার তরুণীরা যৌন নিপীড়নের ব্যাপারে পুলিশের কাছে অভিযোগ করতে ভয় পায়। কারণ তারা আশংকা করে পুলিশ তাদের কথা বিশ্বাস করবে না। আবার এ ধরনের পরিস্থিতিতে নিপীড়নের শিকার এশিয় তরুণীরা বিষয়টি প্রকাশেও ভয় পায়। কারণ তারা মনে করে বিষয়টি তাদের পরিবারের জন্য অসম্মান বয়ে আনতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা প্রকাশিত হলে এশিয় তরুণীরা পারিবারিক ও সামাজিকভাবে অনেকটা হেয় প্রতিপন্ন হয়। ফলে তাদের ভবিষ্যৎ পারিবারিক জীবন হুমকির মুখে পড়ে বলেও অনেকে মনে করেন।
এমন পরিস্থিতিতে সংস্থাটি মুসলমান নারীদের এসব সমস্যার বিষয়টি বৃটিশ সরকারকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছে। মুসলিম উইমেন’স নেটওয়ার্ক বলেছে, এ ধরনের ঘটনার খবর অনেক ঘটে থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় ৩৫টি ঘটনার অভিযোগ ও স্বীকারোক্তি তারা পেয়েছে। এসব ঘটনায় এশিয়ান তরুণীরা তাদের যৌন নিপীড়নের কথা স্বীকার করেছে। তবে নিপীড়নের স্বীকার বেশির ভাগ তরুণী বলেছেন যে, একই গোষ্ঠীর পুরুষদের মাধ্যমে তারা নিপীড়নের স্বীকার হয়েছেন।
আরো সংবাদ পড়ুন
0 মন্তব্যসমূহ