ছবিটি আসলে ১৪ বছরের এক কিশোরের যৌন-অন্বেষণ৷ পরিচালকের কথায় যা ২০১৩-র 'বাড়ি থেকে পালিয়ে'র রি-ইন্টারপ্রিটেশন৷সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহে মুক্তি পেতে চলেছে ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরীর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্যের কাহিনিচিত্র 'ফড়িং'৷ বয়ঃসন্ধির যৌন ফ্যান্টাসি এই ছবির মূল উপপাদ্য৷ এমন বিষয় নিয়ে বাংলাভাষায় কোনও ছবিই এর আগে তৈরি হয়নি৷ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্র কিশোর হলেও, বিষয়টা বড়দের৷হয়তো পেরেন্টাল গাইডেন্স প্রয়োজন হতে পারে কিশোরদেরএই ছবিটি দেখতে হলে৷সম্ভবত এই কারণেই ছবির শ্যুটিংয়ের সময় পরিচালক ফড়িং-এর ভূমিকাভিনেতাকে অনেক জটিল বিষয়ই আড়ালে রেখে কাজটা করেছেন৷
ছবির শুরুতে দেখা যায় এক স্বল্পাবসনা শিক্ষিকা ক্লাসরুমে৷ ফড়িং একা তার সামনে৷ শিক্ষিকা জানায় ফড়িং সব বিষয়ে পরীক্ষায় ফেল করেছে৷ শিক্ষিকা ফড়িংকে ডাকে, 'কাছে আয়'৷ ফড়িংয়ের দৃষ্টিকোণ থেকে শিক্ষিকার উন্মুক্ত শরীরের ক্লোজআপ৷এরপরেই ফড়িংয়ের ঘুম ভেঙেযায়৷অর্থাত্ , এতক্ষণ সে স্বপ্ন দেখছিল৷দ্রুত সে বাথরুমের দিকে এগিয়ে যায়৷ কেন যায়, তা দর্শকদের কাছেস্পষ্ট৷
'ফড়িং'-এর কেন্দ্রীয় চরিত্র একটি বছর তেরো-চোদ্দর বালক৷ নাম ফড়িং৷ উত্তরবঙ্গের কোনও একটি গঞ্জ এলাকায় নিম্নবিত্ত পরিবারের ছেলে৷ লেখা পড়ায় ফড়িং লবডঙ্কা৷ বয়ঃসন্ধির এক জটিল মুহূর্তে ফড়িং এখন আটকে আছে৷ নারী শরীর তার কাছে এক দুর্বোধ্য বস্ত অথচ ভয়ঙ্কর কৌতূহলোদ্দীপক৷ নারী শরীর চর্চাই এখন তার অন্যতম পাস টাইম৷ পরীক্ষায় ফেল করে ফড়িং৷ পড়ায় কিছুতেই মন বসে না৷ মনের মধ্যে সারাক্ষণ ঘুরঘুর করে যৌন চিন্তা৷ এমন সময় তাদের স্কুলে পড়াতে আসে এক তরুণী৷ দোয়েল৷ দোয়েলের সঙ্গে এক বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ফড়িং-এর৷ অথচ, ফড়িং যেন পজেসিভ দোয়েলকে ঘিরে৷ ফলে যে লোকটি মাঝে মধ্যে কলকাতা থেকে দোয়েলের কাছে আসে সে কি সত্যিই দোয়েলের দাদা, নাকি অন্য কেউ, এই সন্দেহ দেখা দেয় ফড়িং-এর মনে৷ ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়ে সে৷
আরো সংবাদ পড়ুন
0 মন্তব্যসমূহ