ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক চিকিৎসককে চেম্বারের মধ্যে দুই রোগিণীকে ধর্ষণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছে অস্ট্রেলিয়ার একটি আদালত৷ মনু গোপাল নামে ৩৯ বছর বয়সী ওই চিকিৎসকের আদি বাড়ি কেরালার কোচিতে৷

কয়েক মাস আগে পেটে ব্যথা নিয়ে গোপালের চেম্বারে আসেন ১৮ বছর বয়সী এক তরুণী৷ গোপাল তাকে জানায়, তার 'অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা' করতে হবে৷ একটু ইতস্তত করে তরুণী ওই পরীক্ষার পদ্ধতি সম্বন্ধে জানতে চাইলেও গোপাল তাকে কিছুই খুলে বলেনি৷ তারপরই বিনা অনুমতিতে ওই রোগিণীর গোপনাঙ্গে আঙুল ঢুকিয়ে দেয় সে৷

এই ঘটনার একদিন পরেই শরীরের ডান দিকে ব্যথার ভোগান্তি নিয়ে গোপালের কাছে আসেন এক মহিলা৷ তিনি চার সন্তানের মা৷ ওই চিকিৎসক পরীক্ষা করে জানায়, তার অ্যাপেনডিসাইটিস হয়নি, কিন্ত্ত শারীরিক লক্ষণ দেখে মনে হচ্ছে ডিম্বাশয়ে কোন সমস্যা থাকতে পারে৷ ওই মহিলার যৌন জীবন সংক্রান্ত বেশ কিছু প্রশ্নও করে গোপাল৷ মহিলা জানান, ওই ক্ষেত্রে তার কোনও সমস্যা নেই৷ তারপর তার আপত্তি সত্ত্বেও গোপাল গোপনাঙ্গ পরীক্ষার জন্য জোরাজুরি শুরু করে৷ বাধ্য হয়েই সম্মতি দেন রোগিণী৷ এখানেই শেষ নয়৷ 'পরীক্ষা' চলাকালীন গোপাল রোগিণীকে অশোভন প্রশ্ন করতে থাকে। পুরো ব্যপারটা তাঁর ভালো লাগছে কিনা, পরীক্ষার গতি বাড়ানো বা কমানো হবে কিনা৷ শেষে বাধ্য হয়েই তাকে ঠেলে সরিয়ে দেন ওই মহিলা৷

অস্ট্রেলিয়ার আইন অনুযায়ী এ ধরনের ঘটনা ধর্ষণের সমপর্যায়ে পরে৷ তাই তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পরই বিমানে চেপে ভারতে পালিয়ে আসার জন্য মেলবোর্ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসেছিল গোপাল৷ কিন্ত্ত বিমানবন্দর থেকেই গোপালকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ৷
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
আরো সংবাদ পড়ুন