কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি ॥
কেশবপুর বাহারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা নিয়ে একটি স্বার্থন্বেষী মহলের চক্রান্তের অভিযোগে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
কেশবপুর নিউজ ক্লাবে বৃহস্পতিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আজিজ আহম্মদ বলেন, উপজেলার বুড়িহাটি মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল খালেক স্বার্থন্বেষী মহলকে নিয়ে গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে কেশবপুর বাহারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার সুনাম ক্ষুন্ন করেছেন। তিনি অভিভাবক সদস্য নির্বাচনের ক্রটিযুক্ত মনোনয়ন প্রত্র দাখিল করায় তা বাতিল হওয়ায় তিনি মাদ্রসার বিরুদ্ধে নানামুখি চক্রান্তে শুরু করেন। তার প্রতিষ্ঠানের সহকারী মৌলভী হাবিবুর রহমানকে দিয়ে জেলা প্রশাসকের নিকট ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ করা হয়েছিল এবং তার তদন্ত সম্পর্কে পত্রিকায় মিথ্যা তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আলতাপোল গ্রামের শামসুর রহমান ১৯৬০ সালে মাদ্রাসায় জমি দান করলেও অদ্যবধি কোন কমিটি গঠনে দাতা সদস্য হিসেবে ভোটার ছিলেন না। শামসুর রহমান হাইকোর্টে যে রিট করেছেন তার জবাব যথাসময়ে দেওয়া হবে। মাদ্রাসার অভিভাবকদের অজান্তে কমিটি গঠনের যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সত্য নয়। ৩ জন অভিভাবক সদস্যের জায়গায় ৭ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছিলেন। মাদ্রাসায় ৮ টি শূন্যপদে আগামীতে নিয়োগ বাণিজ্যের যে আশংকা করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ কল্পনা প্রসুত। মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জি এম এরশাদ ইতিপূর্বে ২ বার মাদ্রাসাটির সভাপতি থাকা অবস্থায় ৮/১০ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিলেও তাঁর বিরুদ্ধে কোন নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ নাই। তাছাড়া আলহাজ্ব জি এম এরশাদ ২ বার নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালীন কেশবপুরের অসংখ্য মানুষের চাকুরী দিলেও তার বিরুদ্ধে কখনও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠেনি। তাছাড়া মাদ্রাসার থেকে যে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে তার সঠিক হিসাব রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার সভাপতি আলহাজ্ব জি এম এরশাদ ও সহ-সভাপতি মাওঃ আব্দুল হালিম।
ছবি-ইমেইলে
আরো সংবাদ পড়ুন
কেশবপুর বাহারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা নিয়ে একটি স্বার্থন্বেষী মহলের চক্রান্তের অভিযোগে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সংবাদ সম্মেলন করেছেন।কেশবপুর নিউজ ক্লাবে বৃহস্পতিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আজিজ আহম্মদ বলেন, উপজেলার বুড়িহাটি মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল খালেক স্বার্থন্বেষী মহলকে নিয়ে গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে কেশবপুর বাহারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার সুনাম ক্ষুন্ন করেছেন। তিনি অভিভাবক সদস্য নির্বাচনের ক্রটিযুক্ত মনোনয়ন প্রত্র দাখিল করায় তা বাতিল হওয়ায় তিনি মাদ্রসার বিরুদ্ধে নানামুখি চক্রান্তে শুরু করেন। তার প্রতিষ্ঠানের সহকারী মৌলভী হাবিবুর রহমানকে দিয়ে জেলা প্রশাসকের নিকট ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ করা হয়েছিল এবং তার তদন্ত সম্পর্কে পত্রিকায় মিথ্যা তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আলতাপোল গ্রামের শামসুর রহমান ১৯৬০ সালে মাদ্রাসায় জমি দান করলেও অদ্যবধি কোন কমিটি গঠনে দাতা সদস্য হিসেবে ভোটার ছিলেন না। শামসুর রহমান হাইকোর্টে যে রিট করেছেন তার জবাব যথাসময়ে দেওয়া হবে। মাদ্রাসার অভিভাবকদের অজান্তে কমিটি গঠনের যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সত্য নয়। ৩ জন অভিভাবক সদস্যের জায়গায় ৭ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছিলেন। মাদ্রাসায় ৮ টি শূন্যপদে আগামীতে নিয়োগ বাণিজ্যের যে আশংকা করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ কল্পনা প্রসুত। মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জি এম এরশাদ ইতিপূর্বে ২ বার মাদ্রাসাটির সভাপতি থাকা অবস্থায় ৮/১০ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিলেও তাঁর বিরুদ্ধে কোন নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ নাই। তাছাড়া আলহাজ্ব জি এম এরশাদ ২ বার নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালীন কেশবপুরের অসংখ্য মানুষের চাকুরী দিলেও তার বিরুদ্ধে কখনও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠেনি। তাছাড়া মাদ্রাসার থেকে যে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে তার সঠিক হিসাব রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার সভাপতি আলহাজ্ব জি এম এরশাদ ও সহ-সভাপতি মাওঃ আব্দুল হালিম।
ছবি-ইমেইলে
আরো সংবাদ পড়ুন
0 মন্তব্যসমূহ