কেএম
তারেক খুলনা নিউজ.কমকে জানান, গোপন সংবাদেও ভিত্তিতে তিনি সদর উপজেলা
নির্বাহী অফিসার আ: রাজ্জাককে নিয়ে অভিযান চালিয়ে এদের আটক করেন। তিনি
জানান , শুক্রবার একটি জালিয়াত চক্র নতুন করে খাতা লিখে পরীক্ষার উত্তর
পত্রের সাথে সংযুক্ত করে দেয়ার নামে বিভিন্ন সময়ে হাজার হাজার টাকা আয় করে
আসছিল। আর এ চক্রের সাথে কলেজের একটি চক্র সরাসরি জড়িত থাকারও অভিযোগ
রয়েছে।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে সদর উপজেলার দক্ষিন মির্জাপুর গ্রামের জিয়াউল হক নিজ
বাড়ীতে বসে বিএ পরীক্ষার উত্তরপত্র লেখার সময় পুলিশ বাড়ীতে হানা দিলে
জিয়াউল পালিয়ে যায়। পরে এডিসি জেনারেল ফাঁদ পেতে ঐ চক্রের মুল হোতা আদর্শ
কলেজের অফিস পিওন গোলাম মোস্তফার বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার এবং
তার দেওয়া তথ্য মোতাবেক অন্যদের আটক করা হয়।
এ ব্যাপারে আজ সকালে আদর্শ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে মিডিয়ায় কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।
এ বিষয়ে
মাগুরার জেলা প্রশাসক মাসুদ্ আহমেদ খুলনা নিউজ.কমকে জানান আটককৃতসহ এ
ঘটনার সাথে জড়িত সকলকে খুজেঁ বের করা হবে এবং কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন
করা হবে। অপর একটি সুত্র দাবী করেছে শুধুমাত্র আদর্শ কলেজ নয় মাগুরার আরো
কয়েকটি কলেজেও অনুরুপ চক্র কাজ করছে। ছাত্র/ছাত্রীদের নিকট থেকে মোটা অংকের
টাকা নিয়ে তারা দীর্ঘদিন একাজ করে আসছে।
আরো সংবাদ পড়ুন

0 মন্তব্যসমূহ