রাজধানীর অভিজাত ফ্ল্যাটে আলো-আঁধারির মায়াবী পরিবেশে জমতে থাকে সংগীতের আসর। সমানতালে চলে পানীয় ও ইয়াবা সেবন।‘সূরা’ ও ‘সুরের’ দ্বৈত নেশায় অতিথি’র যখন বেসামাল অবস্থা, তখন সুন্দরী তরুণীর উষ্ণ অভ্যর্থনায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুমে শুরু হয় রাত যাপনের পালা। প্রতি রাতেই এমন এলাহী আয়োজনের পসরা বসিয়ে লাখ লাখ টাকা কামাই করেন কথিত সংগীতশিল্পী পারুল মাহবুব।
রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানের সুবাস্তু নজর ভ্যালির বিলাসবহুল ভাড়া ফ্ল্যাটে আমন্ত্রণ করেন ভিআইপি অতিথিদের। রাত-ভর মজা, ফুর্তি বিলিয়ে দিনের আলোয় শিল্পী বনে যান তিনি। অবশেষে কিছুদিন আগে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে তার আসল রূপ ধরা পড়েছে। গ্রেপ্তার হয়েছেন তিনিও ও তার স্বামী। পারুলের জলসাঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে বিদেশী মদ, ইয়াবা ও বিয়ারের ডজন খানেক কৌটা।
বর্তমানে পারুলের মতো অন্ততপক্ষে ৪০টি সিন্ডিকেট সক্রিয় রাজধানীর অভিজাত এলাকা- গুলশান, ধানমন্ডি, উত্তরা, বনানী ও বারিধারা এলাকায়। প্রত্যেক গ্রুপে একজন প্রভাবশালী নারী সর্দার থাকেন। তিনি তার সিন্ডিকেটে থাকা সদস্যদের কখনও মেয়ে, কখনও বোন ও ভাতিজি পরিচয় দিয়ে বাড়ি ভাড়া নেন। এরপর গেস্ট পরিচয় দিয়ে বেডরুমে নিয়ে আসেন খদ্দের। বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রাতভর নারী ও নেশার আসর বসান। চলে জুয়া খেলাও। মোটা অঙ্কের বিনিময়ে ডিজে, ডান্সার, নৃত্য শিল্পী ও উঠতি বয়সী মডেলদের ভাড়া করেন ফুর্তির জন্য।
সূত্র: মানবজমিন
আরো সংবাদ পড়ুন
0 মন্তব্যসমূহ