জাতীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেছেন,"বিদ্যুৎ উৎপাদনে বহু বিকল্প আছে, সুন্দরবনের বিকল্প নেই। কতিপয় ব্যক্তির পকেটভারি করার জন্য সুন্দরবনকে ধ্বংসের পাঁয়তারা করা হচ্ছে। যেকোনো মূল্যে রামপালের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন বন্ধ করতে হবে।"

বাগেরহাটের রামপালে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিলের দাবিতে সুন্দরবন অভিমুখে শুরু হওয়া লংমার্চটি এখন যশোরে অবস্থান করছে। সন্ধ্যা ৭ টার দিকে লংমার্চটি বহর টাউন হল মাঠে এসে পৌছায়। যশোরের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ এতে শামিল হন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর খনিজ সম্পাদ রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, যশোর জেলা আহ্বায়ক অধ্যাপক আফসার আলী, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নূর মোহাম্মদ, জেলা কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসান বুলু, আবুল হোসেন, জাকির হোসেন হবি, তসলিমুর রহমান, এলাহদাদ খান প্রমুখ।

লংমার্চ যশোর আগমন উপলক্ষে ও রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বালিত দাবিতে যশোরে দিনব্যাপী প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে। যশোর ও ঢাকার সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো সংগীতের মাধ্যমে এর প্রতিবাদ জানায়।
শুক্রবার সকালে লংমার্চ যশোর থেকে খুলনার উদ্দেশে যাত্রা করবে। আয়োজকরা জানিয়েছেন সমাবেশ শেষে লংমার্চের অংশগ্রহণকারীরা শহরের ডা. আব্দুর রাজ্জাক কলেজে রাত্রিযাপন করবেন।
লংমার্চের কর্মসূচি
২৬ সেপ্টেম্বর : মধুখালি, কামারখালি, মাগুরা, ঝিনাইদহ, কালীগঞ্জ। জনসভা ও রাত্রিযাপন : যশোর।
২৭ সেপ্টেম্বর : ফুলতলা, দৌলতপুর, খালিশপুর। জনসভা ও রাত্রিযাপন : খুলনা।
২৮ সেপ্টেম্বর : বাগেরহাট, কাটাখালী, চুলকাঠি শেষে সমাপনী জনসভা ও সুন্দরবন ঘোষণা : দিগরাজ (সুন্দরবন)।  পথে পথে গান, নাটক, প্রদর্শনী।
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
আরো সংবাদ পড়ুন