একাডেমিক ভবন, শিক্ষক সংকট, পরিবহন ও আবাসিক সংকটসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম বিদ্যাপিঠ যশোর এমএম কলেজ।১৯৪১ সালের ১৮ মার্চ মাত্র ১৪২ জন ছাত্র ও ৪ জন ছাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করে যশোর কলেজ। পরে ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের নামে নামকরণ করা হয় কলেজটি। বর্তমানে প্রায় ৩২ হাজার শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে কলেজটিতে। তবে অধ্যক্ষসহ শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ১৪২ জন। এতে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ শিক্ষক সংকট ও পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষের অভাবে লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। তাদের ৩-৪টি ক্লাসরুম দরকার হলেও তারা ২টি ক্লাসরুম পায়।
চাহিদা অনুযায়ী আবাসিক হলের অভাব, পরিবহন ও সেমিনার সমস্যাসহ কলেজের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের অন্ত নেই।
বাজেট বরাদ্দসহ নানা প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এসএম ইবাদুল হক বলেন, একাডেমিক পরীক্ষার হল তৈরী শেষ হবার পথে। একটি ছাত্রাবাস ও একটি ছাত্রী নিবাসের জন্য আরো ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়ে আছে। তিনি আশা করছেন এ কাজগুলো সম্পন্ন হলে যে সমস্যাগুলো আছে তা কিছুটা সমাধান হবে।
বর্তমানে এমএম কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকের পাশাপাশি ১৯টি বিভাগে স্নাতক ও ১৬টি বিভাগে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ রয়েছে।
আরো সংবাদ পড়ুন
0 মন্তব্যসমূহ