একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি
জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লাকে ‘ইসলামি নেতা’ হিসেবে অভিহিত করেছে প্রধান
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। ১৭ তারিখ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত আবদুল কাদের
মোল্লার বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় ঘোষণা করে। বিদেশী বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘ইসলামি
নেতা কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় ঘোষণা’ নামে সংবাদটির শিরোনাম করা হয়।বিবিসি, ‘ডেথ পেনাল্টি ফর বাংলাদেশ ইসলামিস্ট’ এই শিরোনামে আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির রায়ের সংবাদটি প্রকাশ করে।
বিবিসি’র রিপোর্টে বলা হয়, “১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে মানবতার বিরুদ্ধে যুদ্ধপরাধের অভিযোগে বাংলাদেশের প্রধান ইসলামি দলে নেতাকে মৃত্যদণ্ড দিয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত।”
বিবিসি আরো বলছে, “গত ফেব্রুয়ারি মাসে যাবজ্জীবন পাওয়া জামায়াত নেতা কাদের মোল্লা তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।”
‘বাংলাদেশ ইসলামিস্ট লিডার সেন্টেন্সড টু ডেথ’ এই শিরোনামে সংবাদটি প্রচার করে আলজাজিরা।
রিপোর্টে বলা হয়, “পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত দেশটির সিনিয়র ইসলামি নেতার বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় দিয়েছে।”
আলজাজিরা আরো বলছে, “জামায়াতের চতু্র্থ পদমর্যাদার নেতা আবদুল কাদের মোল্লার (৬৫) বিরুদ্ধে এই রায় ঘোষণা করা হয়েছে।”
কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের দেয়া যাবজ্জীবন রায়ের প্রতিবাদকে শাহবাগের গণজাগরণকে সেক্যুলারদের জমায়েত উল্লেখ করেছে আলজাজিরা। সংবাদ মাধ্যমটি আরো বলছে, “যুদ্ধ চলাকালে ঢাকার উপকণ্ঠে শতাধিক নিরীহ গ্রামবাসীকে হত্যার দায়ে কাদের মোল্লাকে ‘মীরপুরের কসাই’ উল্লেখ করে অন্তত ১০ হাজার সেক্যুলার জমায়েত হয়ে প্রতিবাদ জানায় শাহবাগে।”
‘বাংলাদেশ কোর্ট ইমপোজ ডেথ সেন্টেন্স ওন ইসলামিক লিডার ফর ওয়্যর ক্রাইম’ এই শিরোনামে জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় ঘোষণার সংবাদটি প্রচার করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
রয়টার্সের রিপোর্টে বলা হয়, “বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত স্বাধীনতা যুদ্ধে যুদ্ধপরাধের অভিযোগে শীর্ষ ইসলামি নেতার যাবজ্জীবনের রায় বাতিল করে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।”
একই ধরনের সংবাদ প্রচার করেছে পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যম ডন। ‘বাংলাদেশ টপ কোর্ট অর্ডার সিনিয়র জামায়াত লিডার টু হ্যাং’ এই শিরোনামে সংবাদটি প্রচার করা হয়।
আরো সংবাদ পড়ুন
0 মন্তব্যসমূহ