যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল
হাসপাতালের শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মনির হাসান ও ডা. ইলাবতী মণ্ডলের
পরকীয়ার খবরে যশোরের স্বাস্থ্য বিভাগে শুরু হয়েছে ব্যাপক তোলপাড়।
হাসপাতালের সীমানা ছাড়িয়ে এ খবর পৌঁছে গেছে যশোর পুলিশ প্রশাসন পর্যন্ত।
খবরটি নিয়ে বিব্রত স্বাস্থ্য বিভাগের পাশাপাশি স্বাচিপ ও ড্যাব
কর্মকর্তারা। বিষয়টি নিয়ে কয়েক দফা বৈঠক করেও কোন সমাধানে পৌঁছাতে
পারেননি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্বাচিপ নেতারা। এদিকে ডা. মনির হাসানের
বিরুদ্ধে ডা. ইলাবতী মণ্ডলসহ একাধিক নারীতে আসক্তির অভিযোগ তুলে স্ত্রী
লাইলী ইয়াসমিন তার ওপর শারীরিক নির্যাতন ও মারপিটের অভিযোগ এনেছেন। একই
সঙ্গে লাইলী ইয়াসমিন তার ঘর ভাঙার অভিযোগে ডা. ইলাবতী মণ্ডল, ডা. মনির
হাসান ও ডা. হিমাদ্রি শেখর সরকারের বিরুদ্ধে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় র
অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই উল্লেখ করে ডা. ইলা মণ্ডল বলেছেন, তিনি একজন
সন্দেহবাতিক মহিলা। সে শুধু আমাকে নয়, তার স্বামী ডা. মনির হাসানকে
জড়িয়ে হাসপাতালের আরও একাধিক মহিলা ডাক্তারের পরকীয়ার খবর রটিয়েছে।
তিনি বলেন, এর জন্য ডা. মনির হাসান দায়ী। কারণ সে একজন চরিত্রহীন পুরুষ।
এদিকে ডা. মনির হাসানের বক্তব্য হচ্ছে- স্ত্রী কর্তৃক মানসিক ও শারীরিক
নির্যাতনের শিকার। তার স্ত্রী লাইলী একজন মানসিক রোগী। সে অকারণে তাকে
সন্দেহ করে। কোন নারীর সঙ্গে কথা বলতে দেখলেই সে ভাবে তার সঙ্গে আমার
প্রেমের সম্পর্ক আছে। যা বাস্তবে অসম্ভব। তবে এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে
লাইলী ইয়াসমিন বলেন, মনির একজন চরিত্রহীন। নারী দেখলেই তার মাথা ঠিক থাকে
না। তার কাছে তার নারী সহকর্মীরাও নিরাপদ নয়। রোগী দেখার নাম করে সে বহু
মেয়ের সর্বনাশ করেছে। এই চরিত্রহীনতার কারণে তাকে জরুরি বিভাগের দায়িত্ব
থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অব্যাহতি দেয়। আরএমও’র মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব
পেয়ে সে একাধিক নার্সের সর্বনাশ করেছে। কিন্তু মান-সম্মান আর চাকরির ভয়ে
তারা কেউ মুখ খুলতে পারেননি। নীরবে তাদের অনেকে এসব সহ্য করেছেন। এক
পর্যায়ে বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে গেলে তাকে সে দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি
দেয়া হয়। সন্তান আর সংসারের কথা ভেবে এতদিন চুপ করেছিলাম। যখনই এই
অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছি তখন আমার ওপর চলেছে মারাত্মক নির্যাতন। গত ৫/৭
বছরে বিনা মারপিটে আমার একটি দিনও পার হয়নি। তারপরও স্বামী আর সংসার
টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু পরিস্থিতি দিন দিন সহ্যের বাইরে চলে
যাচ্ছে। তাই শেষ চেষ্টা হিসেবে তিনি থানা পুলিশ করতে বাধ্য হয়েছেন বলে
দাবি করেন।প্রাপ্ত সূত্রে জানা গেছে, যশোরের শার্শা উপজেলার ছেলে মনির হাসান ২০০৮ সালে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগ দেন। স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ করার সুবাদে অল্প সময়ে তিনি অঢেল অর্থবিত্তের মালিক বনে যান। পূর্ববর্তী কর্মস্থলেই তিনি রাজনৈতিক পরিচয়ে অনেক অবৈধ সুযোগ-সুবিধা নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে ক্ষমতা ও অর্থের জোরে তিনি দ্রুত নারী আর মদের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েন। ফলে পূর্ববর্তী একাধিক কর্মস্থলে তিনি নানা ভাবে অপমানিত হয়ে বিভাগীয় শাস্তি ভোগ করেন। তবে নিজ এলাকায় পোস্টিং হয়ে আসার কারণে ডা. মনির এবার ধরাকে সরা জ্ঞান করতে শুরু করেন। হাত মেলান যশোর জেনারেল হাসপাতালের কতিপয় চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার সঙ্গে। আর এই সুযোগে তার অপকর্মের মাত্রা বেড়ে যায় বহু গুণে। তারই ধারাবাহিকতায় একাধিক নারী সহকর্মীকে নানা ভাবে ত্যক্ত-বিরক্ত করে তোলেন। অনেকে ধুরন্ধর এই ডাক্তারের প্রলোভনে পড়ে ইতিমধ্যে তাদের মূল্যবান সম্পদ হারিয়ে বসেছে। আর যারা রাজি হয়নি তাদেরকে পোহাতে হয়েছে নানা রকমের ভোগান্তি আর শাস্তি। দু’বছর আগে জরুরি বিভাগের ইনচার্জ হিসেবে নিজ অফিস কক্ষে যশোরের একটি সরকারি কলেজের একজন শিক্ষার্থীকে চিকিৎসার কথা বলে শারীরিক ভাবে নির্যাতন করেন। খবর পেয়ে ওই শিক্ষার্থীর বন্ধুরা পরদিন ডা. মনিরকে বেদম মারপিট করেন। এ ঘটনার পর তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কিছু দিন পর তাকে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসারের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দেয়া হলে তিনি আবারও স্বমূর্তিতে আবির্ভূত হন। তিনি হাসপাতালের নার্সিং ইনস্টিটিউটের দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্স এবং ছাত্রী নার্সদের তার কক্ষে সময়ে-অসময়ে ডেকে ত্যক্ত-বিরক্ত করে তোলেন। সরকারি ছুটির দিনে একজন সিনিয়র ছাত্রী নার্সকে নিয়ে তার অফিস কক্ষে ফুর্তি করার সময় একজন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী তা দেখে ফেলেন। ঘটনাটি মুহূর্তে হাসপাতাল এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কর্মচারীদের তোপের মুখে পড়েন ডা. মনির হাসান। পরদিন কর্তৃপক্ষ তাকে আরএমও’র দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করেন। কিন্তু স্বাচিপের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কোন বড় ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়নি স্বাস্থ্য বিভাগ।
ডা. মনির হাসানের একাধিক সহকর্মী বলেন, মনির হাসানের কুকীর্তির ঘটনা নতুন কোন বিষয় নয়। সে যেখানেই গেছে সেখানেই জন্ম দিয়েছে নানা অঘটন। তার মধ্যে নারীঘটিত ঘটনাই বেশি। আর এই কারণে তার সংসার বার বার ভাঙার উপক্রম হয়েছে। সম্প্রতি সহকর্মী ডাক্তার গাইনি কনসালটেন্ট ইলাবতী মণ্ডল-এর সঙ্গে ডা. মনির হাসানের পরকীয়ার খবরে লাইলীর সংসারে ঝড় ওঠে। ইলাবতীর প্রেমে ডা. মনির হাবুডুবু খাচ্ছে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে। পেশাগত দায়িত্ব পালন ছাড়াও নানা অজুহাতে তারা প্রায়ই একান্তে সময় কাটান। স্বামী ডাক্তার হিমাদ্রি শেখরের ব্যস্ততার সুযোগ নেন তার স্ত্রী ডা. ইলাবতী। সরকারি চাকরি আর চেম্বারের ডিউটির ফাঁকে ফাঁকে এই ডাক্তার যুগল প্রায়ই বেরিয়ে পড়েন লং ড্রাইভে। আবাসিক হোটেল, পর্যটন কমপ্লেক্সসহ নানা স্থানে তারা একান্তে মিলিত হন। এমন সব অভিযোগ তুলে লাইলী ইয়াসমিন বহুবার মনিরের সংসার ছেড়ে পিত্রালয়ে চলে যেতে চেয়েছেন। কিন্তু দু’টি সন্তানের ভবিষ্যৎ ভেবে তিনি স্বামীর এই দুশ্চরিত্রতা মেনে নিয়েছেন বার বার। কিন্তু সম্প্রতি ডা. ইলা মণ্ডল ও ডা. মনির হাসানের মেলামেশা সব সীমা ছাড়িয়ে গেলে তা প্রতিরোধে আত্মীয়-স্বজন, ডাক্তার যুগলের সহকর্মী আর স্থানীয় রাজনৈতিক নেতার শরণাপন্ন হন লাইলী ইয়াসমিন। আর এই অপরাধে মনির হাসানের হাতে মারাত্মক ভাবে নির্যাতিত হতে হয় লাইলীকে। সর্বশেষ গত ১৫ই আগস্ট রাতে ডা. ইলা মণ্ডল সব বাধা পেরিয়ে পৌঁছে যান ডা. মনির হাসানের হাসপাতালের সরকারি কোয়ার্টারে। ডা. মনিরের উপস্থিতিতে লাইলীকে তিনি শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করেন। নিজের সামনে স্ত্রীকে একজন বাইরের লোক নির্যাতন করলেও প্রেমের টানে ডা. মনির থাকেন নীরব। ফলে লজ্জা আর অপমানে সব সম্পর্কের ইতি টানতে মরিয়া হয়ে ওঠেন লাইলী ইয়াসমিন। শেষ পর্যন্ত ডা. মনির হাসান, ডা. ইলাবতী ও তার স্বামী ডা. হিমাদ্রি শেখরকে অভিযুক্ত করে যশোর কোতোয়ালি থানায় একটি জিডি এন্ট্রি করেন। ঘটনার পর এই জিডি তুলে নিতে ডা. মনির ও ডা. ইলা মিত্র নানা ভাবে তাকে চাপ দিচ্ছেন বলে জানান লাইলী ইয়াসমিন। তিনি বলেন, তার স্বামীর কাছে তার সন্তান বা নিজের কোন মূল্য নেই। ডা. মনির তার প্রেমিকা ডা. ইলা মণ্ডলের কথায় ওঠেবসে। কাজের অজুহাতে তারা দু’জন ঘণ্টার পর ঘণ্টা একত্রে কাটান। তিনি বলেন, এই ডা. ইলা মণ্ডলের পরামর্শে ২০১১ সালে মতের বিরুদ্ধে ডা. মনির তার স্ত্রীকে ডিএনসি করেন। ইলা মণ্ডলের পরামর্শে ডিএনসি অপারেশনের নামে লাইলী ইয়াসমিনের ইউট্রাস্ট ফেলে দেন ডা. নার্গিস আক্তার। পরে কিছুটা সুস্থ হলে তিনি এই সর্বনাশের খবর পান। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। তার পর থেকে লাইলী ইয়াসমিন স্ত্রী হিসেবে ডা. মনিরের শারীরিক চাহিদা ঠিক মতো পূরণ করতে পারছেন না। আর এই সুযোগ নিচ্ছেন ডা. ইলা। লাইলী ইয়াসমিন জানান, তার স্বামীর পরনারীতে আসক্তির ঘটনা এখানেই শেষ নয়। এর আগে দড়াটানা হাসপাতালের চেম্বারে একজন সিস্টারকে নিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় আটক হন। তিনি বলেন, মনিরের তুলনায় ইলা মণ্ডল বয়সে বড়। সে আমার বড় বোনের মতো। কিন্তু তার কারণে আজ আমি সংসার আর সন্তান হারাতে বসেছি। তিনি বলেন, এই ঘটনা হাসপাতালের সবাই জানে। কিন্তু কেউ কোন বিচার করছে না দেখে বিষয়টি তিনি জেলা আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষ নেতাকে বলতে বাধ্য হন। ওই নেতা সব ঘটনা শুনে ডা. মনির হাসানসহ একাধিক ব্যক্তিকে ডেকে সাবধান করেন। বিষয়টি দ্রুত মীমাংসা করারও তাগিদ দেন। কিন্তু তাতেও কোন কাজ হয়নি। ওই ঘটনার পর ডা. ইলা ও মনির আরও বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছেন। লাইলী আশঙ্কা করেন পরিস্থিতি দ্রুত যে ভাবে মোড় খাচ্ছে তাতে তিনি জীবন সংহারের আশঙ্কা করছেন। তিনি বলেন, যে কোন সময় তাকে ও তার ২ সন্তানকে ডা. মনির ও ডা. ইলা ও তাদের ভাড়াটে গুণ্ডারা বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। স্ত্রীর এসব অভিযোগ সম্পর্কে ডা. মনির হাসান বলেন, তার স্ত্রী মানসিক রোগী। সে সব সময় অকারণে তাকে সন্দেহ করে। তিনি নিজেকে সজ্জন হিসেবে দাবি করে বলেন, ডা. ইলা মণ্ডলের সঙ্গে তার কোন অবৈধ সম্পর্ক নেই। সহকর্মী আর প্রতিবেশী হিসেবে যতটুকু সদ্ভাব থাকার কথা তার বাইরে কোন কিছু নেই। স্ত্রীর জিডি প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলেন, সে নয় বরং তার স্ত্রীর চলাফেরা বেপরোয়া। তার অনুপস্থিতির সুযোগে সে বিভিন্ন স্থানে এলোমেলো ভাবে ঘুরে বেড়ায়। তার বন্ধুর অভাব নেই। সে রান্নাবান্না পর্যন্ত করে না। মান-সম্মানের ভয়ে সব সহ্য করেছি। সে প্রায়ই বাজারসহ নানা স্থানে কাদের সঙ্গে কিভাবে সময় কাটায় তা খুঁজে দেখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তার কারণে কর্মস্থলে চাকরি করার উপায় নেই। প্রতিবেশীদের সঙ্গে নেই কোন সম্পর্ক। সবাই তাকে ঘৃণা করছে। পিতা-মাতা আর আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে তার কথাবার্তা পর্যন্ত বন্ধ। স্ত্রীর মন রক্ষা করতে গিয়ে পেশাগত ভাবে বার বার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন দাবি করে ডা. মনির বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি যেদিকে মোড় নিচ্ছে তাতে করে ওই নষ্ট মহিলার সঙ্গে একঘরে বসবাস করা যায় না। তবে সে ইচ্ছা করলে চলে যেতে পারে। ডা. ইলা মণ্ডল এই প্রসঙ্গে বলেন, ডা. মনির আমার জুনিয়র। আমার স্বামী-সংসার আছে। আমরা দুই জনই ডাক্তার। কি কারণে আমি মনিরের প্রতি আসক্ত হবো তা আপনাদের খুঁজে বের করতে হবে। আসলে মনিরের বউ একজন সন্দেহবাতিক মহিলা। সে অকারণে আমাকে ও মনিরকে জড়িয়ে মিথ্যা সন্দেহ করছে। কুৎসা রটাচ্ছে। জিডি প্রসঙ্গে বলেন, এ বিষয়ে লাইলী বিস্তারিত বলতে পারবে। তিনি বলেন ডা. মনির ও আমাকে জড়িয়ে স্ক্যান্ডাল ছড়িয়ে পরিবেশ নষ্ট করার বিষয়ে গত ১৫ তারিখে স্বামী ডা. হিমাদ্রিকে সঙ্গে নিয়ে লাইলীর বাসায় যাই। সে সময় ডা. মনিরও বাসায় ছিলেন। তার সামনেই তার স্ত্রী আমাকে দেখে তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি সহ্যের বাইরে গেলে আমি তার বাসা থেকে বের হয়ে আসি। আমার স্বামী ডা. হিমাদ্রি, ডা. শামীম আহম্মেদসহ অন্যরা কথা বলতে থাকেন। অথচ পর দিন শুনলাম আমরা নাকি তার সংসার ভাঙতে গিয়েছি। সে আমাদের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করেছে। তিনি এব্যাপারে সংবাদ পরিবেশন না করার দাবি জানান। হাসপাতালের একাধিক ডাক্তার অবিলম্বে এই ঘটনায় অভিযুক্ত ২ ডাক্তারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। এদিকে এই বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে গতকাল জেনারেল হাসপাতালের সুপার ডা. সালাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অভিযুক্ত ২ ডাক্তার ছাড়া বাকি সকলেই উপস্থিত ছিলেন। সভা থেকে অবিলম্বে এই ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার ইতি টানার দাবি জানিয়ে বক্তারা সুপারকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। সভা শেষে বিষয়টি লিখিত আকারে স্বাস্থ্য সচিব ও মহাপরিচালককে অবহিত করার পাশাপাশি অবিলম্বে ডা. মনির হাসানকে অন্যত্র বদলির সুপারিশ করেন সুপার ডা. সালাহ উদ্দিন।
সাম্প্রতিক সংবাদ সমূহ
0 মন্তব্যসমূহ