কয়েক দিনের ভারি বর্ষণে কপোতাক্ষের বন্যায় কেশবপুর উপজেলার ৬টি গ্রামের কয়েক শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
পানিবন্দি এলাকায় খাবার পানি ও খাবরের সংকট দেখা দিয়েছে। এতে ওই এলাকায় ডায়রিয়াসহ পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন জানান, গত দু’দিনের বৃষ্টিতে তার ইউনিয়নে নিম্নাঞ্চলের গ্রামে পানি ঢুকেছে। এতে মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। কেশবপুর উপজেলার বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের আওয়ালগাতি, নেহালপুর ঝিকরা ও মহাদেবপুর গ্রামে অতিরিক্ত বর্ষণ ও কপোতাক্ষের উপচে পড়া পানি প্রবেশ করেছে। আওয়ালগাতি, শেখপুরা ও ঝিকরা গ্রামের কিছু পরিবারের মধ্যে ডায়রিয়াও ছড়িয়ে পড়েছে।
উপজেলার বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে এম খলিলুর রহমান জানান, তার ইউনিয়নের আওয়ালগাতি ও নেহালপুর গ্রামে জলাবদ্ধতার কারণে বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সঙ্কট চলছে। সেখানে ভেঙ্গে পড়েছে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা। ডায়রিয়াও ছড়িয়ে পড়ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সামাদ জানান, জলাবদ্ধ ডায়রিয়া এলাকায় মেডিকেল টিমকে সার্বক্ষণিক কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বিপুল কুমার মালাকার জানিয়েছেন, জলাবদ্ধ এলাকায় এখনও কোনো ত্রাণ সামগ্রী পাওয়া যায়নি। তবে জলাবদ্ধ এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের দ্রুত তালিকা তৈরির জন্য বলা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সায়েদ মনজুর আলম বলেন, পানি মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
আরো সংবাদ পড়ুন
0 মন্তব্যসমূহ