ইন্দোনেশিয়ায় উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক ছাত্রীদের কুমারীত্ব পরীক্ষার একটি প্রস্তাব করেন দক্ষিণ সুমাত্রার প্রবুমুলিহ জেলার শিক্ষা কার্যালয়ের প্রধান মোহাম্মদ রশিদ। এ প্রস্তাব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোতে বিতর্কের ঝড় ওঠে।

বিয়ের আগে যৌন সম্পর্ক ও যৌনকর্মীর কাজ থেকে মেয়েদের নিরুত্সাহ করতে এ প্রস্তাবটি অনৈতিক ও বাড়াবাড়ি বলে অভিহিত করে প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করা হয়।

মোহাম্মদ রশিদ প্রস্তাব করেন, উচ্চবিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে যেসব নারী শিক্ষার্থী পরবর্তী শিক্ষাজীবনে প্রবেশ করতে চায়, তাদের ‘কুমারীত্ব’ পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তাঁর দাবি, এতে করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ও যৌনব্যবসা রোধ করা সম্ভব হবে।

এ প্রস্তাবের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও টুইটারে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। সমালোচকেরা বলেন, এ প্রস্তাব ‘শিশু নির্যাতনের’ সমতুল্য। এ ধরনের পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের মনোজগতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
সাম্প্রতিক সংবাদ সমূহ