এবং বাংলালিংকের সহযোগিতায় এ নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ২৩টি নৌকা অংশগ্রহণ করে।
প্রতিযোগিতার
বিশেষ আকর্ষণ ছিল নারীদের নৌকাবাইচ। জেলার বিভিন্নস্থান থেকে নারীদের ৫টি
নৌকা এখানে আসে। আর এটি দেখতে চিত্রা নদীর দুইপাড়ে হাজার হাজার মানুষের
সমাগম ঘটে।
তিনটি
গ্রুপের নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় খুলনার আজিজ মোল্লার (কলাই) ছোট নৌকা
প্রথমস্থান ও দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে খুলনার ভীম সরকারের নৌকা। (টালাই)
বড় নৌকার মধ্যে প্রথমস্থান অধিকার করে খুলনার ডুমুরিয়ার দ্বীপ চাঁদ সরকারের
নৌকা ও দ্বিতীয় স্থান দখল করে খুলনার মান্দার মণ্ডলের নৌকা।
নারীদের নৌকা বাইচে সদর উপজেলার মুসুড়ি গ্রামের ফুলকলির নৌকা প্রথম এবং দ্বিতীয়স্থান অধিকার করে হাতিয়াড়া গ্রামের কহিনুরের নৌকা।
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন খুলনা বিভাগীয় অতিরিক্ত কমিশনার অশোক কুমার বিশ্বাস।
শহরের
বাধাঘাট এলাকায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক
হাওলাদার মো. রকিবুল বারীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- জেলা পরিষদের প্রশাসক
অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস, ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার বিএম নুরুজ্জামান,
উপজেলা চেয়ারম্যান শরীফ হুমায়ুন কবীর, বাংলাদেশ রোয়িং ফেডারেশনের
ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, বাংলালিংকের কর্মকর্তা আশিক
ইকবাল, শরীফ আশরাফুজ্জামান ঝিন্টু, আশিকুর রহমান মিকু প্রমুখ।
অপরদিকে,
এস এম সুলতান শিশু চারু ও কারুকলা ফাউন্ডেশন এবং বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের
আয়োজনে ও বাংলালিংকের পৃষ্টপোষকতায় শুক্রবার সুলতান মঞ্চে শুরু হচ্ছে তিন
দিনব্যাপী সুলতান উৎসব।
তিন
দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সুলতান উৎসবের উদ্বোধন, চিত্রাঙ্কন
প্রতিযোগিতা, চিত্রপ্রদর্শনী, সম্মাননা প্রদান, পুরস্কার বিতরণ। এছাড়া
প্রতিদিন আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
উল্লেখ্য,
১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট তৎকালীন মহকুমা শহর নড়াইলের চিত্রা নদীর পাশে
মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শিল্পী এস এম সুলতান। তার বাবা মো. মেছের
আলি, মা মোছা. মাজু বিবি।
কালজয়ী
এই চিত্রশিল্পী ১৯৮২ সালে একুশে পদক, ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের রেসিডেন্স
আটিস্ট হিসেবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত, ১৯৮৬ সালে চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা এবং
১৯৯৩ সালে রাষ্টীয়ভাবে স্বাধীনতা পদক পান তিনি।
১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোরের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শিল্পী সুলতান মৃত্যুবরণ করেন।
আরো সংবাদ পড়ুন

0 মন্তব্যসমূহ