পরে পুলিশের কাছে খবর দিলে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে যায়।
ভুটিয়ারগাতি
গ্রামের যুবক অন্তর, নয়ন, পিটুল, মাছুদসহ কয়েক জন জানায়, তাদের এলাকায়
ঘুঘু, শালিক, বক, চঁড়ই, চেগাসহ নানা প্রজাতির দেশীয় পাখি দেখা যায়।
খাল-বিল, ঝোঁপ ঝাঁড়ে প্রচুর খাদ্য থাকায় এখানে পাখিরা নিরাপদে বসবাস করে।
অনেক সময় অতিথি পাখিদেরও দেখা মেলে। তবে প্রতিনিয়ত পাখি শিকার হওয়ায়
জীববৈচিত্র ধ্বংসের মুখে। তাই ঝিনাইদহের ভুটিয়ারগাতি, ধানহাড়িয়া এলাকার যুব
সমাজ নিজ এলাকায় গত ৪ বছর ধরে পাখি নিধন নিষিদ্ধ করলেও শিকারীরা ফাঁদ পেতে
নানা কৌশলে পাখি শিকার করে চলেছে।
তাদের
অভিযোগ জীববৈচিত্র ও পরিবেশ আইনের প্রয়োগ না থাকায় সুযোগ সন্ধ্যানী এসব
শিকারীরা অবাধে পাখি নিধন করছে। এই পাখির মাংস সমাজের বিত্তবানদের বিলাসি
খাদ্য আর এমনি ভাবে এই জেলা থেকে প্রতি বছর প্রায় অর্ধ লক্ষ পাখি নিধন
করছে।
পাখি
শিকারী আটক প্রসঙ্গে ঝিনাইদহ থানার এসআই জোহা জানান, এলাকাবাসী এক শিকারীকে
থানায় এনেছিল, তবে মুচলেকা দিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
এদিকে
পাখি শিকারীকে ছেড়ে দেয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিল এলাকার সাধারণ
মানুষ ও পরিবেশবিদরা। তারা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র রক্ষায় পাখি নিধন বন্ধের
দাবি জানিয়েছে।
0 মন্তব্যসমূহ