রোববার সকালে কেন্দ্রের সরবরাহ করা খাবার খেয়েছে ঐশী। ওই কেন্দ্রের অন্য মেয়েদের সঙ্গে তাকে এমব্রয়ডারি (সেলাই) প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে বলে জানান কর্তৃপক্ষ।
শনিবার দিবাগত রাতে ঢাকা কারাগার থেকে তাদের কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়। এ সময় ঐশীর পরনে ছিল জিন্সের প্যান্ট, নীল-সাদা গ্রামীণ চেকের শার্ট ও সাদা ওড়না।
এদিকে সকালে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) বেগম নাসিমা ও গাজীপুরের উপ-পরিচালক লুৎফুন্নেছা কেন্দ্র পরিদর্শনে যান। এ সময় নাসিমা বেগম ঐশীকে কেন্দ্রের সুপারিটেনডেন্ট (তত্বাবধায়ক) তাসলিমা বেগমের অফিসে ডেকে পাঠান এবং বিভিন্ন কথাবার্তা বলেন। কথা বার্তার এক পর্যায়ে বাবা-মাকে হত্যার ব্যপারে ঐশী অনুতপ্ত হয়েছেন বলে জানান জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক লুৎফুন্নেছা।
তিনি আরও জানান, কারাগার থেকে কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে আসার পর স্বাভাবিক রয়েছে ঐশী। তার পছন্দ অনুযায়ী তাকে এমব্রয়ডারির (সেলাই) কাজ দেয়া হয়েছে। ঐশীকে কেন্দ্রের তৃতীয় তলায় এবং সুমিকে ৪র্থ তলায় রাখা হয়েছে।
শনিবার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার পর আদালতের নির্দেশে ওই রাতেই ঐশী ও সুমিকে কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে আনা হয়।
উল্লেখ্য ২০০২ সালে গাজীপুর মহানগরীর কোণাবাড়ীতে কিশোরী উন্নয়ণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এর ধারণ ক্ষমতা ১৫০ জন, তবে এখনে রয়েছে ১১০ কিশোরী। মানসিক পরিবর্তনে এখানে নিবাসীদের কাউন্সেলিং করা ছাড়াও ধর্মীয় শিক্ষা, সেলাই, বাটিক, রান্না ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
নিবাসীদের সকাল সাড়ে ৮টায় নাস্তা, বেলা ১টায় দুপুরের খাবার, বিকাল সাড়ে ৫টায় নাস্তা এবং রাত ৮টায় রাতের খাবার দেয়া হয়।
একমাত্র মেয়ে ঐশী রহমান ও কাজের মেয়ে সুমি রয়েছে গাজীপুরের কোনাবাড়ীর কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে।
আরো সংবাদ পড়ুন খবর

0 মন্তব্যসমূহ