মাগুরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সিরাজুদ্দোহার বিরুদ্ধে মাগুরা জুডিশিয়ার ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আজ ঘুষ ও
দুর্নিতির অভিযোগে মামলা রুজু হয়েছে। মামলার বাদী  মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার কুশখালী গ্রামের সাকাওয়াত হোসেন অভিযোগ করেছেন, তার ভাতিজি রহিমা খাতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে  শিক্ষক নিয়োগের বিঞ্জপ্তি অনুযায়ী আবেদন করেন এবং লিখিত পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে কৃতকার্য হন। এরপর তার ভাইবা কার্ড ইশু করার পূর্বে মাগুরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ঐ প্রার্থীকে খবর দিয়ে তার অফিসে ডেকে এনে তার কাছে ৪ লাখ টাকা উৎকোচ দাবী করেন। ঐ প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধার কোটায় আবেদন করায় এবং শিক্ষা অফিসারের দাবীকৃত উৎকোচের টাকা দিতে অস্বিকার করায় শিক্ষা অফিসার ক্ষুব্ধ হয়ে তার ভাইবা কার্ড ইসু না করে তাকে ভাইবা পরিক্ষ্য়া অংশ গ্রহন করা থেকে বিরত রাখেন। ভাইবা পরীক্ষায় অংশ গ্রহন না করায় নিয়ম তান্ত্রিকভাবে তার চাকুরি হয় না। ফলে ঐ প্রার্থী ক্ষতিগ্রস্থ হয়। মামলার আরজির সাথে বাদী তার সকল ডকুমেন্ট ও দলিল পত্র দাখিল করেছে। বিঞ্জ আদালত বাদীর আনীত অভিযোগ গ্রহন করে বিষয় টি তদন্তের জন্য একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন। এ বিষয়ে মাগুরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সিরাজুদ্দোহার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবী করেন। এদিকে অনেক শিক্ষক জেলা শিক্ষা অফিসারের বিভিন্ন দুর্নিতী ও অনিয়মের অভিযোগ আনেন। তারা জানান, জেলা শিক্ষা অফিসারের  দর্নিতীর কারনে সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও দুর্নিতী মুলক কর্মকান্ডে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। কখনো কেহ তাদের দুর্নিতীর প্রতিবাদ করলে তাকে নানাভাবে হয়রানি ও বদলী হতে হয় বলেও তারা অভিযোগ করেন।
সাম্প্রতিক সংবাদ সমূহ