সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে
এলাকার চরমপন্তিরা আবার ও আগের ন্যায় তৎপর হয়ে উঠছে। যে কারনে ঝিনাইদহ
জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে খুনের ঘটনা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। যেমন
চলতি আগষ্ট মাসে ৭জন খুন হয়েছে তন্মধ্যে ৩ জন চরমপন্থি, ১জন রাজনিতিক নেতা
অপর ৩জন বিভিন্ন ঘটনায় খুন হয়েছে। চলতি আগষ্ট মাসের ২ তারিখে কোটচাদপুরের
রুদ্রপুর গ্রামের বিলকিছ খাতুন(৩২) রাতে নিজ বাড়ির বারান্দায় ঘুমিয়ে থাকা
অবস্থায় কে বা কারা তাকে জবাই করে হত্যা করে। ৪ আগষ্ট ঝিনাইদহ সুতি
দুর্গাপুর গ্রামে পূর্ববাংলা কমিউনিষ্টপাটির লিটন কে সন্ত্রাসীরা অপহরন করে
তাকে গুলি করে হত্যা করে।সে কাশিমনগর গ্রামের আবু বক্কারের ছেলে। ১০ আগষ্ট
মহেশপুর ঘুগরি গ্রামে সাইদুর রহমান(২৫)কে তার মামা ধারালো অস্ত্র দিয়ে
কুপিয়ে হত্যা করে। ১৭ আগষ্ট হরিনাকুন্ড গুড়া গ্রামে রেবেকা খাতুনকে হত্যা
করে তার লাশ একটি মাঠের মধ্যে ফেলে রাখে। ২০ আগষ্ট হরিপুর গ্রামের মফিজুর
রহমান কে সন্ত্রাসীরা অপহরন করে গান্না এলাকায় নিয়ে গুলি করে হত্যা করে।
একই দিনে ঝিনাইদহ রুপদা গ্রামে গৃহবধু জোসনা খাতুন(৩২) কে সন্ত্রাসীরা
কুপিয়ে হত্যা করে। ২২ আগষ্ট হরিশংকরপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন
সম্পাদককে সানার উদ্দিন রাতে বাড়ি ফেরার সময় সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি ও
কুপিয়ে হত্যা করে। ঝিনাইদহ জেলায় চরমপন্থিরা ক্রমান্বয়ে পূর্বের ন্যায় আবার
ও সংগঠিত এবং এলাকায় নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করা নিয়ে হত্যাকান্ড শুরু
হয়েছে। ফলে চলতি মাসের ২ আগষ্ট থেকে ২২ আগষ্ট পর্যন্ত ২১ দিনে ৭টি
হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। বলা যায় ৩ দিন অন্তর ঝিনাইদহ জেলায় ১ জন করে
হত্যার শিকার হচ্ছে।আরো সংবাদ পড়ুন
0 মন্তব্যসমূহ