১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোরে ভোটের রাজনীতি সরগরম হয়ে উঠেছে। বিএনপি-জামায়াত
জোট যখন নিরপেক্ষ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন নিয়ে
ব্যস্ত, ঠিক তখনই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেমে পড়েছে ভোটের রাজনীতিতে। দলের
সম্ভাব্য প্রার্থীরা আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে আরও একবার ভোট দিয়ে
ক্ষমতায় আনার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। অপরদিকে বিএনপির
সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনের প্রশ্নে কৌশলে প্রচার চালালেও তারা
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে অটল রয়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যশোর জেলার
৬টি সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা দলীয় মনোনয়ন লাভের আশায়
হাইকমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার পাশাপাশি সমানে গণসংযোগ ও প্রচারণার কাজ
চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে যশোরের সবগুলো আসনেই আওয়ামী
লীগ প্রার্থী বিজয়ী হন। কিন্তু এবার প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে কয়েকজন এমপি
দলীয় মনোনয়ন নাও পেতে পারেন বলে দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে। তারপরও ওইসব
এমপি দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আশায় কোমর কষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। যশোর সদর (৩)
আসন থেকে এমপি খালেদুর রহমান টিটো এবারও মনোনয়ন পাবেন বলে আশা করছেন। ফলে
তিনি অনেক আগে থেকেই নির্বাচনী প্রচারাভিযানে নেমে পড়েছেন। সুযোগ পেলেই
টিটো হাজির হচ্ছেন জনতার দরবারে। তবে টিটোর পাশাপাশি এই আসনে আরও কয়েকজন
প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। তাদের মধ্যে অন্যতম দুজন হলেন জেলা আওয়ামী লীগ
সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য আলী রেজা রাজু ও দলের সাধারণ সম্পাদক সদর উপজেলা
চেয়ারম্যান শাহিন চাকলাদার। সম্ভাব্য এ দুই প্রার্থীও দলীয় মনোনয়ন লাভের
আশায় প্রচার-প্রচারণায় সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। যশোর-১ (শার্শা) আসনে এমপি শেখ
আফিল উদ্দিনের পাশাপাশি আরও কয়েকজন স্থানীয় নেতা দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আশায়
সক্রিয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শেখ আফিল উদ্দিনই মনোনয়ন পাবেন বলে অনেকে মনে
করছেন। প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রেও তিনি অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন।
যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে শোনা যায় নানা কথা।
দলীয় সূত্র জানায়, এই আসনে যোগাযোগ ও প্রযুক্তিবিষয়কমন্ত্রী মোস্তফা ফারুক
মোহাম্মদের আবার মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ফলে আসন্ন নির্বাচনকে মাথায়
রেখে তিনি প্রচার-প্রচারণা ও জনসংযোগ কাজে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। তবে দলের বড়
একটি অংশ মনে করছে, বিএনপির নেতৃত্বে ১৮ দলীয় জোট নির্বাচনে অংশ নিলে
মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদের বিজয় অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে। এ ক্ষেত্রে আওয়ামী
লীগের সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের নাম জোরেশোরে
উচ্চারিত হচ্ছে। রফিকুল ইসলাম এবার দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আশায় তার নির্বাচনী
এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনের মনোনয়ন বাগিয়ে নেয়ার
জন্য হুইপ শেখ আবদুল ওহাব এমপি দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। গণসংযোগ কিংবা
প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রেও তিনি পিছিয়ে নেই। কিন্তু বিল কপালিয়ার ঘটনায়
জনরোষের শিকার এমপি আবদুল ওহাব এবার মনোনয়ন পাবেন কিনা, তা নিয়ে দলের
অনেকেই সংশয়ে রয়েছেন। এ ক্ষেত্রে যশোর জেলা পরিষদের বর্তমান প্রশাসক সাবেক
এমপি শাহ হাদীউজ্জামানের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।
তারপরও যশোর-৪ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কে পাবেন, তা নিয়ে দলীয়
কর্মী-সমর্থকদের জল্পনা-কল্পনার অন্ত নেই। যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনের
বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগ নেতা খান টিপু সুলতান। এর আগেও এই আসন থেকে তিনি
কয়েকবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিটি সংসদ নির্বাচনের সময় দলীয় মনোনয়ন
লাভের প্রতিযোগিতায় টিপু সুলতান পিছিয়ে থাকতেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে মনোনয়ন
তিনিই বাগিয়ে নিতেন। এবারও তিনি মনোনয়ন লাভের ক্ষেত্রে দলের বড় একটি অংশের
বাধার সম্মুখিন হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কিন্তু তারপরও তিনি বসে
নেই।
জোট যখন নিরপেক্ষ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন নিয়ে
ব্যস্ত, ঠিক তখনই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেমে পড়েছে ভোটের রাজনীতিতে। দলের
সম্ভাব্য প্রার্থীরা আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে আরও একবার ভোট দিয়ে
ক্ষমতায় আনার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। অপরদিকে বিএনপির
সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনের প্রশ্নে কৌশলে প্রচার চালালেও তারা
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে অটল রয়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যশোর জেলার
৬টি সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা দলীয় মনোনয়ন লাভের আশায়
হাইকমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার পাশাপাশি সমানে গণসংযোগ ও প্রচারণার কাজ
চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে যশোরের সবগুলো আসনেই আওয়ামী
লীগ প্রার্থী বিজয়ী হন। কিন্তু এবার প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে কয়েকজন এমপি
দলীয় মনোনয়ন নাও পেতে পারেন বলে দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে। তারপরও ওইসব
এমপি দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আশায় কোমর কষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। যশোর সদর (৩)
আসন থেকে এমপি খালেদুর রহমান টিটো এবারও মনোনয়ন পাবেন বলে আশা করছেন। ফলে
তিনি অনেক আগে থেকেই নির্বাচনী প্রচারাভিযানে নেমে পড়েছেন। সুযোগ পেলেই
টিটো হাজির হচ্ছেন জনতার দরবারে। তবে টিটোর পাশাপাশি এই আসনে আরও কয়েকজন
প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। তাদের মধ্যে অন্যতম দুজন হলেন জেলা আওয়ামী লীগ
সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য আলী রেজা রাজু ও দলের সাধারণ সম্পাদক সদর উপজেলা
চেয়ারম্যান শাহিন চাকলাদার। সম্ভাব্য এ দুই প্রার্থীও দলীয় মনোনয়ন লাভের
আশায় প্রচার-প্রচারণায় সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। যশোর-১ (শার্শা) আসনে এমপি শেখ
আফিল উদ্দিনের পাশাপাশি আরও কয়েকজন স্থানীয় নেতা দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আশায়
সক্রিয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শেখ আফিল উদ্দিনই মনোনয়ন পাবেন বলে অনেকে মনে
করছেন। প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রেও তিনি অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন।
যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে শোনা যায় নানা কথা।
দলীয় সূত্র জানায়, এই আসনে যোগাযোগ ও প্রযুক্তিবিষয়কমন্ত্রী মোস্তফা ফারুক
মোহাম্মদের আবার মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ফলে আসন্ন নির্বাচনকে মাথায়
রেখে তিনি প্রচার-প্রচারণা ও জনসংযোগ কাজে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। তবে দলের বড়
একটি অংশ মনে করছে, বিএনপির নেতৃত্বে ১৮ দলীয় জোট নির্বাচনে অংশ নিলে
মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদের বিজয় অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে। এ ক্ষেত্রে আওয়ামী
লীগের সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের নাম জোরেশোরে
উচ্চারিত হচ্ছে। রফিকুল ইসলাম এবার দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আশায় তার নির্বাচনী
এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনের মনোনয়ন বাগিয়ে নেয়ার
জন্য হুইপ শেখ আবদুল ওহাব এমপি দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। গণসংযোগ কিংবা
প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রেও তিনি পিছিয়ে নেই। কিন্তু বিল কপালিয়ার ঘটনায়
জনরোষের শিকার এমপি আবদুল ওহাব এবার মনোনয়ন পাবেন কিনা, তা নিয়ে দলের
অনেকেই সংশয়ে রয়েছেন। এ ক্ষেত্রে যশোর জেলা পরিষদের বর্তমান প্রশাসক সাবেক
এমপি শাহ হাদীউজ্জামানের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।
তারপরও যশোর-৪ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কে পাবেন, তা নিয়ে দলীয়
কর্মী-সমর্থকদের জল্পনা-কল্পনার অন্ত নেই। যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনের
বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগ নেতা খান টিপু সুলতান। এর আগেও এই আসন থেকে তিনি
কয়েকবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিটি সংসদ নির্বাচনের সময় দলীয় মনোনয়ন
লাভের প্রতিযোগিতায় টিপু সুলতান পিছিয়ে থাকতেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে মনোনয়ন
তিনিই বাগিয়ে নিতেন। এবারও তিনি মনোনয়ন লাভের ক্ষেত্রে দলের বড় একটি অংশের
বাধার সম্মুখিন হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কিন্তু তারপরও তিনি বসে
নেই।
সাম্প্রতিক সংবাদ সমূহ
0 মন্তব্যসমূহ