তুলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে যশোর অঞ্চলের চাষিদের। গতবারের তুলনায় অনেক বেশি জমিতে এবার তুলা চাষ হয়েছে।
বিঘা প্রতি ফলনও দ্বিগুন হবে বলে আশা তাদের। দামও এবার অনেক বেশি। সাথী ফসল হিসেবে সবজি চাষ করে বাড়তি আয়ও হয়েছে । সবমিলিয়ে তুলা চাষিদের মুখে এখন পরিতৃপ্তির হাসি।
তুলা উন্নয়ন বোর্ড যশোর অঞ্চলের উপ-পরিচালক মো: আকতারুজ্জামান জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে যশোর অঞ্চলে তিন হাজার ৯শ' ৩১ হেক্টর জমিতে তুলা চাষ হয়েছে। যেখানে গত মৌসুমে আড়াই হাজার হেক্টর জমিতে এই চাষ হয়েছিল। এবার তিনশ' ৭১ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড ও বাকি জমিতে দেশীয় জাতের তুলার চাষ হয়েছে।
তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা মঞ্জুরুল হান্নান জানান, এবার তুলার বাম্পার ফলন হয়েছে। উৎপাদন দ্বিগুন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এবার চাষীরা তুলার দামও ভালো পাচ্ছেন। হাইব্রিড তুলা যেখানে গতবার ১৮শ' টাকা মন ছিল, এবার তার দাম দুই হাজার ৭শ' ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশি জাতের তুলা গতবার ১৬শ' টাকা মন বিক্রি হয়েছে। আগামি মাসে এর দাম নির্ধারণ করা হবে। এর দামও ২২/২৩শ'র কম হবে না বলে তিনি মনে করছেন।
যশোরের তুলা উন্নয়ন খামারের কটন এগ্রোনিস্ট কামরুল হাসান জানিয়েছেন, হাইব্রিড বীজে তুলার ফলন দ্বিগুন হলেও এর বীজের দাম দুই হাজার টাকা কেজি হওয়ায় কৃষকরা এই তুলা খুব বেশি চাষ করতে পারছেন না। তিনি বলেন, যশোর তুলা উন্নয়ন খামারের গবেষণাগারে জেএ-০৮/ই জাতের একটি উন্নত জাতের তুলা বীজ উদ্ভাবন করা হয়েছে। এটির ফলন হাইব্রিডের মতই হবে। তবে এ বীজের দাম রাখা হবে মাত্র ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে।
চৌগাছার জগদীসপুরের তুলা চাষী বাহারুল ইসলাম ও রণি বললেন, নতুন উদ্ভাবিত তুলা বীজ হাইব্রিডের মতো ফলন দিলে তারা এই বীজের প্রতিই ঝুঁকবেন। কারণ হাইব্রিড বীজের দাম যেখানে দুই হাজার টাকা কেজি, সেখানে এই বীজের দাম হবে মাত্র ২০ থেকে ৩০ টাকা। আর এটা হলে তারা আরও বেশি পরিমান জমিতে তুলা চাষ করবেন।
বিঘা প্রতি ফলনও দ্বিগুন হবে বলে আশা তাদের। দামও এবার অনেক বেশি। সাথী ফসল হিসেবে সবজি চাষ করে বাড়তি আয়ও হয়েছে । সবমিলিয়ে তুলা চাষিদের মুখে এখন পরিতৃপ্তির হাসি।
তুলা উন্নয়ন বোর্ড যশোর অঞ্চলের উপ-পরিচালক মো: আকতারুজ্জামান জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে যশোর অঞ্চলে তিন হাজার ৯শ' ৩১ হেক্টর জমিতে তুলা চাষ হয়েছে। যেখানে গত মৌসুমে আড়াই হাজার হেক্টর জমিতে এই চাষ হয়েছিল। এবার তিনশ' ৭১ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড ও বাকি জমিতে দেশীয় জাতের তুলার চাষ হয়েছে।
তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা মঞ্জুরুল হান্নান জানান, এবার তুলার বাম্পার ফলন হয়েছে। উৎপাদন দ্বিগুন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এবার চাষীরা তুলার দামও ভালো পাচ্ছেন। হাইব্রিড তুলা যেখানে গতবার ১৮শ' টাকা মন ছিল, এবার তার দাম দুই হাজার ৭শ' ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশি জাতের তুলা গতবার ১৬শ' টাকা মন বিক্রি হয়েছে। আগামি মাসে এর দাম নির্ধারণ করা হবে। এর দামও ২২/২৩শ'র কম হবে না বলে তিনি মনে করছেন।
যশোরের তুলা উন্নয়ন খামারের কটন এগ্রোনিস্ট কামরুল হাসান জানিয়েছেন, হাইব্রিড বীজে তুলার ফলন দ্বিগুন হলেও এর বীজের দাম দুই হাজার টাকা কেজি হওয়ায় কৃষকরা এই তুলা খুব বেশি চাষ করতে পারছেন না। তিনি বলেন, যশোর তুলা উন্নয়ন খামারের গবেষণাগারে জেএ-০৮/ই জাতের একটি উন্নত জাতের তুলা বীজ উদ্ভাবন করা হয়েছে। এটির ফলন হাইব্রিডের মতই হবে। তবে এ বীজের দাম রাখা হবে মাত্র ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে।
চৌগাছার জগদীসপুরের তুলা চাষী বাহারুল ইসলাম ও রণি বললেন, নতুন উদ্ভাবিত তুলা বীজ হাইব্রিডের মতো ফলন দিলে তারা এই বীজের প্রতিই ঝুঁকবেন। কারণ হাইব্রিড বীজের দাম যেখানে দুই হাজার টাকা কেজি, সেখানে এই বীজের দাম হবে মাত্র ২০ থেকে ৩০ টাকা। আর এটা হলে তারা আরও বেশি পরিমান জমিতে তুলা চাষ করবেন।
