পাবনা সদর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের বাঙ্গাবাড়ি এলাকায় আজ শনিবার জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন। ঘটনাস্থল থেকে জামায়াত-শিবিরের নয়জন কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁর নাম আলাল আমিন (১৮)। অপরজনের নাম জানা যায়নি।
পাবনায় আজ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ডাকা আধাবেলার হরতাল চলাকালে সকাল সাড়ে আটটার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গতকাল শুক্রবার জেলা জামায়াতের কার্যালয়সহ বেশকিছু প্রতিষ্ঠান ভাঙচুরের প্রতিবাদে এ হরতালের ডাক দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ছয়টা থেকে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা হরতালের সমর্থনে বাঙ্গাবাড়ি এলাকায় ঢাকা-পাবনা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। সাড়ে আটটার দিকে পুলিশ ওই অবরোধ তুলে নিতে বললে তাঁরা তা করেননি। জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে ঘটনাস্থলে অজ্ঞাতনামা একজন নিহত এবং আট পুলিশ সদস্যসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হন। আহত অবস্থায় আলাল আমিনকে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর লাশ এখনো হাসপাতালে আছে।
জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনা জেলা পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলাম প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার শামীম আহমেদ বলেন, সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। একটি লাশ এখনো বাঙ্গাবাড়ি এলাকাতেই আছে। ঘটনাস্থল থেকে জামায়াত-শিবিরের নয়জন কর্মীকে আটক করা হয়েছে।